২৬ মৌসুমের আগস্টের ক্লাব প্রস্তুতি ম্যাচে হংকংয়ের কাই তাক স্পোর্টস পার্কে ইন্টার মিলানের মুখোমুখি হয় ম্যানচেস্টার সিটি। সিটির তরুণ এমবামা প্রথমে গোল করেন, পরে পাভার সমতা ফেরান। ১-১ সমতার পর ম্যাচ পেনাল্টি শুটআউটে গড়ায়। সেখানে নুরি, খুসানভ ও গনসালেস টানা পেনাল্টি নষ্ট করলে শুটআউটে ৩-১ এবং মোট ৪-২ ব্যবধানে ম্যানচেস্টার সিটিকে হারায় ইন্টার।

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
১৪’ সেমেনিওর দুর্দান্ত আক্রমণ ও সহায়তায় ফাঁকা জালে সহজে গোল করেন এমবামা; ইন্টারের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটি সাময়িকভাবে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
২০’ দিমার্কোর সহায়তায় বক্সের ভেতর থেকে প্লেসিং শটে গোল করেন পাভার; ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ইন্টার ১-১ সমতা ফেরায়।
নিয়মিত ঘটনা
২’ নতুন কোচের উপস্থিতি! সম্প্রচার ক্যামেরা দীর্ঘ সময় ম্যানচেস্টার সিটির কোচ মারেস্কার দিকে নিবদ্ধ থাকে।
৩’ গোলমুখে উড়ন্ত ভঙ্গিতে স্লাইড করে শট নেন এসপোসিতো; বল বাঁ পোস্টের অল্প বাইরে যায়।
১০’ আক্রমণভাগে বল কেড়ে নেন সেমেনিও; রেইন্ডার্সের ডান পায়ের নিচু শট গোলরক্ষক ধরে ফেলেন।
১৮’ একাই বল নিয়ে বক্সে ঢোকেন সেমেনিও; কাছ থেকে নেওয়া তাঁর প্লেসিং শট ঠেকিয়ে দেওয়া হয়।
৪০’ রেইন্ডার্সের থ্রু বল পেয়ে সেমেনিও যখন এককভাবে গোলের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন সতীর্থ এমবামাই তাঁর কাছ থেকে বল কেড়ে নেন।
৫৫’ হলুদ কার্ড—এ. স্তানকোভিচ(ইন্টার মিলান), ফাউল।
৬০’ বক্সের সামনে থেকে ডান পায়ে দূরপাল্লার শট নেন গনসালেস; বল বাঁ পোস্টের বাইরে যায়।
৬৭’ বক্সের ভেতর থেকে কাছের দূরত্বে জোরালো শট নেন রেইস; বল ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
৭০’ বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের খোঁচায় শট নেন লুইস; গোলরক্ষক বল ধরে ফেলেন।
৮৩’ হলুদ কার্ড—খুসানভ(ম্যানচেস্টার সিটি), ফাউল।
১০০’ পেনাল্টি শুটআউটের প্রথম রাউন্ডে নুরি সরাসরি বল বাইরে পাঠান।
১০০’ দ্বিতীয় রাউন্ডে খুসানভের জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে; ম্যানচেস্টার সিটি টানা ২টি পেনাল্টিতে গোল করতে ব্যর্থ হয়। ফ্রাত্তেসির পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন দোন্নারুম্মা।
১০০’ তৃতীয় রাউন্ডে গনসালেসের পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেওয়া হয়; ম্যানচেস্টার সিটি টানা ৩টি পেনাল্টিতে গোল করতে ব্যর্থ হয়।
১০০’ চতুর্থ রাউন্ডে দুই দলই পেনাল্টি থেকে গোল করে; ইন্টার শুটআউটে ৩-১ ব্যবধানে ম্যানচেস্টার সিটিকে হারায়।
কারিগরি পরিসংখ্যান
খেলোয়াড় তালিকা
ম্যানচেস্টার সিটির শুরুর একাদশ: ২৫-দোন্নারুম্মা、২৪-গভার্দিওল(৪৬’ ২২-রেইস)、৮২-লুইস、৪৫-খুসানভ、৯১-মফুনি(৪৬’ ৬৮-আলেইন)、৮-কোভাচিচ(৪৬’ ১৪-গনসালেস)、৪৭-ফোডেন(৬৮’ ৩০-এচেভেরি)、৪-রেইন্ডার্স(৪৬’ ২১-নুরি)、৪২-সেমেনিও(৬৮’ ৭১-সাঙ্গারে)、২৬-সাভিনিও(৭৮’ ৬১-ব্রেইথওয়েট)、৬৭-এমবামা(৪৬’ ৫৬-ম্যাকাইডু)
ম্যানচেস্টার সিটির বদলি দল: ১৩-বেত্তিনেল্লি、৮৪-উইন্টার、৯২-শাবো、২১-নুরি、৬৮-আলেইন、২২-রেইস、৮৯-হেন্ডারসন、৬১-ব্রেইথওয়েট、১৪-গনসালেস、৩০-এচেভেরি、৬৩-মুকাসা、৭৫-এফ. সাম্বা、৯৩-পার্কার、৮১-জে. হেস্কি、৭১-সাঙ্গারে、৪০-মোঙ্গা、৫৬-ম্যাকাইডু
ইন্টার মিলানের শুরুর একাদশ: ১-মার্তিনেস(৬১’ ৪৯-প্রোভেদেল)、২৮-পাভার(৬৯’ ৪৬-বোভিও)、৩১-বিসেক(৭৮’ ৫৬-মায়ে)、৩০-আগুস্তো(৬৯’ ৫৪-মারেল্লো)、২২-মিখিতারিয়ান(৪৬’ ৭-জিয়েলিনস্কি)、৩২-দিমার্কো(৪৬’ ৯৫-বাস্তোনি)、২৩-বারেলা(৪৬’ ১৬-ফ্রাত্তেসি)、১৭-দিওফ(৪৬’ ১১-এনরিকে)、৫-এ. স্তানকোভিচ(৬০’ ৫৮-তোপালোচ্ছিচ)、৯৪-এসপোসিতো(৬৭’ ৫৩-লাভেল্লি)、৫২-ইদ্রিসু(৪৬’ ৪৮-মোসকোনি)
ইন্টার মিলানের বদলি দল: ১২-দি জেন্নারো、৪৯-প্রোভেদেল、৬০-ফারোনাতো、৯৫-বাস্তোনি、৫৪-মারেল্লো、৫৬-মায়ে、৪৬-বোভিও、২০-চালহানওলু、৭-জিয়েলিনস্কি、১৬-ফ্রাত্তেসি、৫৮-তোপালোচ্ছিচ、৮-সুচিচ、১১-এনরিকে、১৪-বোনি、৪৮-মোসকোনি、৫৩-লাভেল্লি